বিশেষ হয়ে রহ যে সিনেমা, যে কাহিনী শান্ত করে, তার কাছাকাছি বসে বেশ উঠতে ইচ্ছা করে না। মনে হয় থাকুক আর কিছুক্ষণ। বসি আরেকটু। খুব বিদ্বেষী, বিরাগী, অনুভববিহীনতার মধ্যে শিল্প যে সম্পর্কের অনন্ত দিককে আজও ছুঁতে চাইছে, আজও হৃদয়ের কথা বলা গল্পের প্রেরক ও গ্রাহক দুইই যে আছে, সেকথা আবার জেনে মনে হয় আবার বেঁচে উঠি। কোরিয়ান ছবি পাস্ট লাইভস (২০২৩) [ পূর্ব জনম ] সম্পর্কের অতি সামান্য এক গল্পকে বলার ঢঙের আত্মবিশ্বাসে উচ্চমার্গে নিয়ে চলে গেল। যেন ছবির সমস্ত কুশলী দেখিয়ে গেল পৃথিবীতে ধৈর্যের স্থান কতটা অটুট। এই ছবি বাস্তবতা আর পরাবাস্তবতার দ্বন্দ্ব নিয়ে মাথা ঘামায় না, দর্শককে চমকে দিতে চায় না, অবিশ্বাসীও করতে চায় না। শুধু চায় মগ্নতা, শুধু দাবি করে কাহিনীর বুননের মাঝেই নিজের মনের দিকে কয়েক পলক তাকানো হোক। মনে করায়, মানুষের একটা জীবন হল অসংখ্য অভাবনীয় স্তরের, প্রচুর জানালার, কী হতে পারত, কী হল না, কী থেকে কী হল-র চিত্রকল্প। তাই আপাতভাবে মানবজীবনকে মলিন, একঘেয়ে লাগলেও একটাই মানুষ অনেকগুলো গল্পের মুঠি ধরে থাকে। কোনওটাকে এতটাই চেপে ধরে থাকে যে সেটি জীবন জুড়ে ফুটতে পারে না, আবার কোনওটা ম...